মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ মে ২০১৫

বিভাগ/সংস্থা সম্পর্কে

বন অধিদপ্তর

বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত। এসব বনভূমির সবগুলো বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ ও রড়্গণাবেড়্গণ করে না। বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লড়্গ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%। বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃড়্গচ্ছাদিত।

বন অধিদপ্তরের সেবাসমূহ:

ক্রমিক নং

সেবা প্রদানের ক্ষেত্র

করণীয়

সেবা প্রদানের প্রাথমিক কার্যক্রম

গ্রাহক বা ভোক্তার বিবরণ

প্রার্থিত সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ সময়

মন্তব্য

১।

সামাজিক বনায়নের সৃজিত বাগানের আবর্তকাল শেষে বিক্রয়ের অনুমতি প্রদান

দরপত্র আহবান ও দরপত্র মূল্যায়ণ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ

উর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

৩০ কার্যদিবস

 

২।

বিক্রিত বনজ দ্রব্যের চলাচল পাস প্রদান করা

প্রাপ্ত ডকুমেন্টস সমূহ যাচাই করা ও অনুমোদন গ্রহণ

চলাচল পাস ইস্যু করা

জনগণ

২ কার্যদিবস

 

৩।

সামাজিক বনায়নে অংশগ্রহণকারী, উপকারভোগী, ভূমি মালিক এবং চুক্তি অনুযায়ী অন্যান্যদের মাঝে যথাসময়ে লভ্যাংশ বিতরণ করা

প্রাপ্ত ডকুমেন্টস ও চুক্তিনামা সমূহ যাচাই করা

জেলা/উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

 

৩০ কার্যদিবস

 

৪।

সামাজিক বনায়ন সংক্রানত্ম যে কোন অভিযোগ নিষ্পত্তি করা

প্রাপ্ত অভিযোগ সমূহ তদনত্ম পূর্বক মতামত গ্রহণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

১৫ কার্যদিবস

 

৫।

জোত পারমিট প্রদান করা

সরেজমিনে বনজ দ্রব্য তদনত্ম পূর্বক মতামত গ্রহণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

জোত মালিক

 

৩০ কার্যদিবস

 

৬।

কাঠের পারমিট প্রদান করা

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন গ্রহণ

পারমিট ইস্যু করা

 

বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা/ কর্মচারীবৃন্দ

৭কার্যদিবস

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেড়্গে

৭।

মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, গোলপাতা, গড়ান, মধু ও অন্যান্য পারমিট প্রদান করা

প্রাপ্ত ডকুমেন্ট সমূহ সঠিকতা যাচাই, নথি উপস্থাপন 

অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

 

আহরণের পরিমাণের ভিত্তিতে
নীতিমালা
অনুযায়ী

 

৮।

বনজ দ্রব্য বিক্রয়

দরপত্র আহবান, দরপত্র মূল্যায়ণ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের অনুমোদন

জনগণ

৩০ কার্যদিবস

 

৯।

আম মহাল/জল মহাল/বাঁশ মহাল ইত্যাদি ইজারা প্রদান

দরপত্র আহবান ও দরপত্র মূল্যায়ণ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের অনুমোদন

জনগণ

 

৩০ কার্যদিবস

 

১০।

বোটানিক্যাল গার্ডেন ও অন্যান্য স্থাপনার গেট ইজারা প্রদান করা

দরপত্র আহবান ও দরপত্র মূল্যায়ণ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের অনুমোদন

জনগণ

 

৩০ কার্যদিবস

 

১১।

“বনাঞ্চলের বিশ্রামাগার” বরাদ্দ প্রদান করা

আবেদন পত্র যাচাই করণ

অনুমোদন

জনগণ

 

৩ কার্যদিবস

বিভাগীয় দপ্তর থেকে

১২্‌।

সংরড়্গিত বনাঞ্চলে গবেষনার জন্য অনুমতি প্রদান করা

আবেদন পত্র যাচাই, নথি উপস্থাপন

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের অনুমোদন

গবেষক/ছাত্র

১৫ কার্যদিবস

 

১৩।

সংরড়্গিত বনাঞ্চলে ডকুমেন্টারী ফিল্ম তৈরীর অনুমতি প্রদান

আবেদন পত্র যাচাই, নথি উপস্থাপন

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

৩০ কার্যদিবস

 

১৪।

সংরড়্গিত বনাঞ্চলে ইকোট্যুরিজম এর জন্য পর্যটকদের অনুমতি প্রদান

নথি উপস্থাপন

 

অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

 

৩ কার্যদিবস

বিভাগীয় দপ্তর থেকে

১৫।

বন্যপ্রাণী (হরিণ) লালন-পালনের পজেশন সার্টিফিকেট প্রদান

আবেদন পত্রের তথ্যাদি যাচাই করণ/নথি উপস্থাপন

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপড়্গের  অনুমোদন গ্রহণ

ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান

পরিবেশ সংক্রানত্ম তথ্য প্রাপ্তি কার্যদিবস

 

১৬।

বন্যপ্রাণী (কাঁকড়া) রপ্তানীর জন্য এনওসি প্রদান

প্রাথমিক পরীড়্গা-নিরীড়্গা করণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

খামারের মালিক

সুপারিশ প্রাপ্তির পর ৭ কার্যদিবস

 

১৭।

বে-সরকারী উদ্যোগে বন্যপ্রাণীর খামার স্থাপন

বিষেশজ্ঞ কমিটি কতৃক পরীড়্গা-নিরীড়্গা করণ ও সুপারিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান

মতামত পরীড়্গা-নিরীড়্গা ও সুপারিশ প্রাপ্তির পর ৫ কার্যদিবস

 

১৮।

CITES পারমিট প্রদান

প্রাথমিক পরীড়্গা-নিরীড়্গা করণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

আনত্মর্জাতিক সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান

আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ কার্যদিবস

 

১৯।

বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বনজ দ্রব্য সরবরাহ

প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন যাচাই করন

সংশিস্নষ্ট বন বিভাগ হতে প্রযোজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও অনুমোদন গ্রহণ

শিল্প প্রতিষ্ঠান

১৫ কার্যদিবস

 

২০।

সামাজিক বনায়ন সংক্রানত্ম যে কোন পরামর্শ প্রদান

সামাজিক বনায়ন বিধিমালা-২০০৪ অনুযায়ী পরামর্শ প্রদান

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন গ্রহণ

জনগণ

৩ কার্যদিবস

 

 
 

পরিবেশ অধিদপ্তর

নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এসবের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হিসেবে দেশের পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৭ সালে পরিবেশ দূষণ অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল গঠন করা হয়। পরবর্তীকালে প্রশাসনিক পূণর্বিন্যাস কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৮৫ সালে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গঠন করা হয়। ১৯৮৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় নামে আলাদা মন্ত্রণালয় সৃষ্টি হলে অধিদপ্তরটির নতুন নাম করণ করা হয় পরিবেশ অধিদপ্তর। দেশের প্রকৃতি ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা সংরক্ষণ করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কাজ। মূলত পরিবেশ অধিদপ্তর একটি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। কাজের ধরন অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে কয়েকটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়। এ-গুলো হল: দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর বাস্তবায়ন; জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ; জীবনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ; ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিকরণ। বর্তমান সরকার সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নকে সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে ১৮(ক) অনুচ্ছেদ সংযোজন করেছে। উক্ত অনুচ্ছেদ মোতাবেক রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করবে এবং জীব বৈচিত্র্য জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির নিরাপত্তা বিধান করবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :

  • পরিবেশ সংরড়্গণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরড়্গণ ও সার্বিক উন্নয়ন;
  • সকল প্রকার দূষণ ও অবড়্গয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ;
  • সকল ড়্গেত্রে পরিবেশসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ;
  • সকল প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই, দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশসম্মত ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধান;
  • পরিবেশ সংক্রানত্ম সকল আঞ্চলিক ও আনত্মজার্তিক উদ্যোগের সাথে সক্রিয় অংশগ্রহণ;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় অভিযোজন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাসত্মবায়ন।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন ও বনজ সম্পদ গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৫ সালে বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে “ফরেস্ট প্রোডাস ল্যাবরেটরী” নামে চট্টগ্রামে এ প্রতিষ্ঠান সৃষ্ঠি হয়। পরবর্তীতে বনজ সম্পদ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধির প্রেক্ষিতে বনজ সম্পদ গবেষণার পাশাপাশি বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে বিএফআরআই কে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীর গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

 বন ও বনজ সম্পদের উংপাদন বৃদ্ধি, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা , পরিবেশ রক্ষা, জীব-বৈচিত্র সংরক্ষণ ও তার ব্যবস্থাপনা, বন মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা , উন্নত ও গুনগত মানসম্পন্ন বীজ ও  চারা  উৎপাদন, বন ব্যাধি ও কীটপতঙ্গ দমন, বনপ্রাণী সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে  গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ বন ও বনজ সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে।

 

বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন

১৯৫৯ সালের ৩ অক্টোবর তারিখের ৬৭ নম্বর অধ্যাদেশবলে পূর্ব পাকিস্থান বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন(ইপিএফআইডিসি) গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফআইডিসি) নামে নামকরণ করা হয় ।  এফআইডিসি'র যাত্রা শুরু হয় ১৯৬০-৬১ সালে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বন বিভাগ ১৯৬১-৬২ সালে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম   হস্তান্তর করা হয়।

কর্পোরেশনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে বনজ সম্পদ যান্ত্রিক উপায়ে আহরণ, কাঠভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, কাঠের টেকসই ও সর্বোত্তম ব্যবহার, রাবার বাগান সৃজন, কাঁচা রাবার উৎপাদন ও বিপণনই হচ্ছে বিএফআইডিসি’র লক্ষ্য। এ সকল কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাতীয় আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র বিমোচন ও জীবন-যাত্রার মান উন্নয়নের দ্বারা কর্পোরেশন জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

 

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ড এবং কারিগরি কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালনসহ এ ফান্ডের অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদনের নিমিত্ত পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ হিসেবে ক্লাইমেট চেঞ্জ ইউনিট গঠন করা হয়। ইউনিটটি রাজস্ব খাতে সৃজিত/স্থানান্তরিত না হওয়ার কারণে ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত জানুয়ারী/২০১০ মাস হতে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে "Strengthening Institutional Capacity of Climate Change Unit of the Ministry of Environment and Forests" শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিবের  নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন ২০১০ এর বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে এবং ক্লাইমেট চেঞ্জ ইউনিট এর জনবলসহ সকল স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ট্রাস্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টি বোর্ড এবং কারিগরি কমিটি-কে সাচিবিক দায়িত্ব প্রদান ছাড়াও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পসমূহ যাচাই-বাছাই, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং সহ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অত্র ট্রাস্টে বর্তমানে ৮২ জন জনবলের সংস্থান রয়েছে।  

 

বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম

১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় “বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম” প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৪ সালে “বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম” প্রকল্প হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয় হতে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরিত হয়।২০০৪ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।

উদ্ভিদ প্রজাতির নমুনা সংগ্রহ , একসেশনিং ও শ্রেণিবিন্যাসপূর্বক  সংরক্ষণ এবং  সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাসমূহ ট্যাক্সোনমিক গবেষণার মাধ্যমে সনাক্ত করে নতুন উদ্ভিদ প্রজাতি/নতুন রেকর্ড আকারে প্রকাশ করা।দেশে বিদ্যমান উদ্ভিদ প্রজাতিসমূহের সঠিক অবস্থান ও পরিসংখ্যান নির্ণয় করা।দেশের বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদসমূহ সনাক্তকরত: তাদের বর্তমান স্ট্যাটাস নির্ধারণ করা এবং সংরক্ষণের উপায় নির্দেশ করা।দেশীয় সকল উদ্ভিদ প্রজাতির উপর পরিচালিত গবেষণালব্ধ ফলাফল “ফ্লোরা অব বাংলাদেশে”/ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী জার্ণালে/পুস্তিকাকারে প্রকাশ করা।

 

বাংলাদেশ রাবার বোর্ড

বাংলাদেশ রাবার বোর্ড আইন, ২০১৩ এর আওতায়  ৫মে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রাবার বোর্ড গঠন করা হয়।রাবার বোর্ডের পরিচালনা পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান, ১ জন সচিব, ১৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন করা হয়।

প্রধান কার্যালয়- চট্টগ্রাম।


Share with :